Posts

Showing posts from July, 2019

কবিতা১৪ঃ- কুয়েতে বৈশাখী মেলা।

Image
কুয়েতে বৈশাখী মেলা  আব্দুর রহিম  ♡♡♡♡♡♡♡♡♡♡ কাঠ ফাটা রোদ এখনো পরেনি  বসন্ত হাওয়া বয় , মরুর বুকে সবুজের সমোরহ ভরে গেছে কিশালয় । কোথাও কোথাও সবুজের মাঠ সবুজ বৃক্ষ ছায়া , স্মৃতি মন্থনে এনে দেয় যেন  দেশের মাটির মায়া ।
শতো ব্যস্ততার মাঝে ও রাখি হৃদয়ের দর্পণে , মিলে মিশে তাই স্বাগত জানাই নবীন দিনের ক্ষনে । রিগাই পার্কে সুধীদের ডাকে বৈশাখী মেলার ধুম , হরেক রকম পিঠা বানাতে  কাড়িয়ে নিয়েছে ঘুম ।
বুবু ও ভাবীরা সুনিপুণ হাতে  বানিয়েছে কতোনা পিঠা , আহা কি মজা পেট ভরে খাই  লাগছে কতোনা মিঠা । ভাইরা বসেছে ভাবীরা বসেছে  কতোনা পসরা লয়ে , রুবিনা বুবুর কানেকসন গারমেন্টস কিনেছে মুগ্ধ হয়ে ।
বেলুন ফেস্টুনে মুগ্ধ করেছে  খোকা খুকুর মন , দু-হাতে উড়িয়ে আনন্দ উৎসবে  মেতেছে সারা ক্ষন । বাংলার নারী পরে লাল শাড়ি  কেহ কেহ থ্রিপিস , মেলা অঙ্গনে বঙ্গ পরীরা আসতে করেনি মিস ।
হেলে দুলে চলে কতো কথা বলে  সখীদের কাছে পেয়ে , দুলাল দুলালী ছুটা ছুটি করে  বৈশাখী গান গেয়ে । পালকি একতারা তৈজসপত্র যা ছিল  ভুলু ভাইয়ের ঘরে , নিপুণ হাতে সাজিয়ে রেখেছে  দর্শনে মুগ্ধ করে ।
কবিরা নিয়েছে কবিতা আর শিল্পীরা গেয়েছে গান , মুগ্ধ হয়েছে দর্শক শ্রোতা আনন্দে ভরেছে প্র…

কবিতা১৩ঃ- রমজানের আহ্বান আব্দুর রহিম।

Image
রমজানের আহ্বান আব্দুর রহিম  ☪☆☪☆☪☆☪☆☪☆☪☆ এসেছে রমজান মুক্তির আহ্বান  শোন হে মুসলমান , প্রভূর কাছে পানাহ চাও আজি খুলে তব দেহ প্রান । হিংসা বিদ্বেষ ভুলে আজি তাই রাখো সবাই হাতে হাত , মোদের গুনাহ মাফ করে দেও  করো সবে মোনাজাত ।
নামাজ রোজা হজ্জ যাকাত কায়েম করো সবে , প্রভূর বিধান মেনে চলো যতো দিন ধরায় রবে । পিতা মাতা ভগ্নি ভ্রাতা  পরিবার পরিজন যারা , কখনো যেন ব্যথিত না হয়  তোমাদের কারো দ্বারা ।
তাদের মনে আঘাত দিওনা  রাখিও না অনাহারে , তোমরাও খাও তাদের ও খাওয়াও  ভুলোনাকো কেউ কারে । জীবিত-মৃতঃ পিতা মাতা  আছে যারা কবর বাসী ,  । দু'হাত তুলে করো দোয়া  যতো পারো রাশি রাশি ।
দান খয়রাত দিও সাধ্য মতো পারো যে যতো টুক , আত্মা তাদের শান্তি পাবে কবরে পাবে সুখ , গরীব দুঃখি ভিখারি মুসাফির  যদি আসে কভূ কাছে , ফিরিয়ে দিওনা কিঞ্চিত্ দিও যা কিছু তোমাদের আছে ।
রোগে শোকে বিপদে আপদে আছে যারা ধরার বুকে,  দুঃখ গ্লানি মুছে প্রভূ রাখিও মোদের সুখে । এই রমজান মুক্তির মাস করি সবে ফরিয়াদ , মাফ করে দেও প্রভূ মোদের  দিয়ে তব রহমত ।

কবিতা১২ঃ- বিবেক হারা আব্দুর রহিম।

Image
বিবেক হারা আব্দুর রহিম ♡♡♡♡♡♡♡♡♡♡ লিখছে যারা বিবেক হারা  পশুর চেয়ে অধম , ভালো কাজে আগায় নাতো বাড়ায় নাকো কদম । শিশু কালে না শিখিলে  শিখবে কবে আর ? কঁচি মনে বাঁধা পেলে  রুদ্ধ আলোর দ্বার ।
ঐ কমিটিতে আছে যারা  আছে যতো জন , নামাজ পড়ে রোজা রাখে নেইতো পূত মন । তারা ও যেমন তেমনি তেমন  তাদের ছেলে মেয়ে , তাইতো করে হৈ হুল্লুরী মসজিদে যেয়ে ।
বাপ মা যদি ভাল হয়  ছেলে মেয়ে ও তাই , আঁধার ঠেলে আনবে ঘরে আলোর জগত্টাই । হলফ করে বলতে পারি ঐ কমিটিতে যারা , সুদ ঘুষে জীবন চালায় মুখোশ ধারি তারা ।
কঁচি কাঁচা ছেলে মেয়ে  ফুলের মতো মন , আলোর পথে আনতে হবে  এখন শুভ ক্ষন । কুয়েত কাতার সৌদি আরব অদ্য আরব দেশে , পিতা মাতা ছেলে মেয়ে  নামাজ পড়ে  মসজিদে এসে ।
মনটা তখন যায় জুড়িয়ে  জুড়ায় আমার প্রাণ , তবে কেনো শিশুর প্রতি  এতো বাঁধা প্রদান । কঁচি কাঁচা ছেলে মেয়ে  বাগ বাগিচার ফুল , আনতে হবে আলোর পথে ভেঙ্গে মোদের ভুল ।
তাইতো বলি সবার কাছে  ময়মুরুব্বী যাঁরা , নামাজ পড়বো সবাই মিলে  মেনে প্রভূর ধারা ।
কুয়েত  (10/05/2019)

কবিতা১১ঃ- এমন কেন ? আব্দুর রহিম।

Image
এমন কেন ? আব্দুর রহিম  ☪☪☪☪☪☪ চলার পথে বললো ডেকে  শুনেন কথা ভাই , দাওয়াত দিলে পাইনা তাঁরে বলুন কিছু তাই । রমজান হলো সবার জন্য  সবার দুয়ার খোলা , ডাকলে কেন আসে নাকো অন্য পথে চলা ?
উনারা হলেন অভিভাবক  মোদের পিতা মাতা , সুখে দুঃখে আপন মোদের  ঝড় তুফানের ছাতা । এক অনুষ্ঠানে যাবো আমি  অন্য অনুষ্ঠানে নয় , এমন হলে বিবেক বলে বিমাতা সুলভ হয় ।
আমরা যারা বিদেশ ভূয়ে প্রবাসে রই , সুখের দুঃখের সব কথাই  তাঁদের সাথে কই । ওনরা মোদের গুরুজন  দেশের প্রতিনিধি , তাঁদের মতো জ্ঞান গরিমা  দেয়নি মোদের বিধি ।
দাওয়াত দিলে আসলে পরে সবাই খুশি হই , আরনা হলে দুঃখ মনে  পথে চেয়ে রই । এমন কেন একটু যেন  মিলে মিশে থাকি , সুখে দুঃখে পাইগো যেন যখন আপনায় ডাকি ।
26/05/2019

Photo Credit Google

কবিতা১০ঃ- মজার খবর আব্দুর রহিম।

Image
মজার খবর আব্দুর রহিম  ●●●●●●●●●●●●● এর চেয়ে মজার খবর  আছে কোথায় ভাই ? ইমিগ্রেশন পাড় হলো পাসপোর্ট ছাড়াই । কেমন মোদের ইমিগ্রেশন  কেমন অফিসার ? কেমন করে পাড় হলো প্রশ্ন হলো সবার ?
খেঁটেল খাটা প্রবাসীরা  যায়গো যখন দেশে , চেক করার ধরণ দেখে  তিক্ততা হয় শেষে । তারা তখন লেবার শ্রমিক   গন্ধ আসে বুঝি ? তাদের বেলায় চেক করে  এটা ওটা খুঁজি ।
উনি বুঝি বিমান পাইলট  চেকের দরকার নাই ? এই কি বুঝি নিতীমালা  ইমিগ্রেশনে পাই । শ্রমিক পাইলট বুঝিনা আমি  বুঝিনা মিনিস্টার , আসা যাওয়ায় চেক করবে  ডিউটি হলো তার ।
ইমিগ্রেশনে এমনি যদি  অবহেলায় চলে , কেমন করে চলবে এদেশ দিবেন কেহ বলে ? এমনি হলে বিদেশ ভূঁয়ে যাবে দেশের মান , রক্ত দিয়ে এদেশ গড়া রাখুন সবাই দেশেরী সম্মান ।
06/06/2019
Photo Credit :- Google 👎

কবিতা৯ঃ- আজকে মোদের জন্মদিন আব্দুর রহিম।

Image
আজকে মোদের জন্মদিন আব্দুর রহিম  ♡♡♡♡♡♡♡♡♡♡ আজকে মোদের জন্মদিন  ধরায় পেলাম ঠাঁই , দু'ভাই মিলে সবার কাছে  তাইতো দোয়া চাই । আমি থাকি বিদেশ ভূঁয়ে  ভাইয়া থাকে বাড়ি,  আমার জব ম্যাকানিক্যাল ভাইয়ারতো ডাক্তারী ।
এই দিনে জন্ম মোদের  পাঁচ মিনিটের আগপাচ , শ্রদ্ধা ভক্তি স্নেহ মমতা  কমতি নেইতো আজ । ভাইয়ার আছে পাঁচটি সন্তান  আমার আছে দুটি , খেয়ে দেয়ে প্রভূর দোয়ায়  আছি মোটা মুটি ।
আমরাতো ভাই সহজ সরল ঝুট ঝামেলায় নাই , কাছে পেলে প্রমাণ মিলবে  বলবে যে সবাই । দোয়া করবেন প্রভূর দয়ায়  যতো দিন বাঁচি , প্রনয় প্রীতির বন্ধনে তাই থাকবো কাছা কাছি ।
Abdur Rahim Arab Times  Kuwait  13 /06/2019
কবি আব্দুর রহিম ও তার ভাই করিম ডক্টর

কবিতা৮ঃ- নিরাপদে এসে গেছি আব্দুর রহিম।

Image
নিরাপদে এসে গেছি আব্দুর রহিম  ♤♡♢♧☆♤♡♢♧☆ নিরাপদে এসে গেছি আমার গাঁয়ের বাড়ি ,  ঝুট ঝামেলা হয়নি পথে  আসছি তাড়াতাড়ি ।
রাত দেড়টায় প্লেন ল্যান্ড  ইমিগ্রেশন শেষে , জলদি করে গাড়ি চড়ে  ফেরি পেলাম এসে ।
সবুজ শ্যামল গাঁও পেরিয়ে  সা সা করে গাড়ি  কোকিল ডাকা শুভ্র ভোরে  সারে সাতটায় বাড়ি ।
হাজার শুকুর প্রভুর কাছে  বন্ধু বান্দব যাঁরা , আমার জন্য দোয়া করছেন  সুখে থাকুন তারা ।
প্রভু তুমি দয়ার সাগর  রহিম রহমান , সুখ শান্তিতে রেখো মোদের মর্তে যতো প্রান ।
(14/06/201 শুক্রবার বিকেল সারে তিনটায় প্লেনে যাত্রা 15/06/2019 সকাল 7•30 টায় আল্লাহ্ পাকের অশেষ রহমতে ও আপনাদের পূতপবিত্র দোয়ার বরকতে নিরাপদেই বাড়ি এসেছি । সবাই সুখে শান্তিতে থাকুন এই দোয়া করি )
নিচে কবি আব্দুর রহিম এর ছবি 👎


কবিতা৭ঃ- পথের পাশে বাড়ি আব্দুর রহিম।

Image
পথের পাশে বাড়ি  আব্দুর রহিম  ♡♡♡♡♡♡♡♡♡ পথের পাশে বাড়ি আমার  পথের পাশে ঘর , গাড়ি ঘোড়া পথ যাত্রী দেখছি দিন ভর ।
লাউ কুমরা মাছ তরকারি  দুধে ভরা কলস , ডেকে এনে খরিদ করি নয়তো আমি অলস ।
বিয়ের গাড়ি বাজনা ভারি যাচ্ছে দূরের গাঁয় , লাল শাড়িতে নব বধু মিটি মিটি চায় ।
মনে বলে বধূর সাথে  একটু কথা কই , বর বধুকে মিষ্টি মুখে  বরণ করে লই ।
হাসছো কেন ? তোমরা সবে নেইকি আমার শখ , ভাবছো বুঝি বধূ রেখে  বরকে দেবো ঠক ।
আমিতো নয় অমন মানুষ  ভাবনা ভাবো যতো , শ্রদ্ধা ভক্তি সম্মান রেখে  ভালো বাসি ততো ।
একটু দূরে যেতে হলে অটো ডেকে লই , চলার পথে সবার সাথে  কতো কথা কই ।
এই গাঁয়েতে জন্ম আমার  ভালো বাসি গাঁও , মরণ হলে কবর দিও শুনতে যদি পাও ।
(আব্দুর রহিম  গ্রাম +পোঃ - বাহের ঘাট  জল্লা ইউনিয়ন  থানা - উজির পুর বরিশাল - বাংলাদেশ ) 18/06/2019
কবি আব্দুর রহিম  এর ছবি 👎

কবিতা৬ঃ- এক পশলা বৃষ্টি এসে আব্দুর রহিম

Image
এক পশলা বৃষ্টি এসে আব্দুর রহিম 
😀😁😂😃😅😆😆
অতিষ্ঠ গরম শেষে      এক পশলা বৃষ্টি এসে হিমেল করলো গা , মনে বলে বৃষ্টি ভিজে  ভিজাই আমার  রাঙ্গা দুটি পা ।
আম্র শাখে শালিক ডাকে টুন টুনি ঐ পাতার ফাঁকে  লুকিয়ে রাখে মুখ , বৃষ্টি ভিজে স্বস্তি নিজে  লগ্ন কাটাই ভিজে ভিজে  আহা কতো সুখ ।
কৃষ্ণ কালো মেঘের ভেলা  ডানা মেলে করছে খেলা  নীল গগনে ভাসে ,  তপ্ত বায়ে গা পুড়ে ছাই আশায় থাকি  কখন বৃষ্টি আসে ।
(আব্দুর রহিম  বাহের ঘাট  জল্লা  উজিরপুর বরিশাল  বাংলাদেশ )
21/06/2019


কবিতা৫ঃ- রোড ঘাট আব্দুর রহিম।

Image
রোড ঘাট  আব্দুর রহিম  ☆♤♡♢♧☆♤♡♧♧☆ কোথা ও ভাল আছে  কোথা ও ভাঙ্গা,  জনতার মনে ক্ষোভ  ক্ষোভে চোখ রাঙ্গা ।
বাজেটের টাকা খেয়ে  করে নাকো ভাল কাজ , অসহায় জনতা দূর্ভোগে ভোগে আজ ।
খাদে পরে গাড়ি ঘোড়া  যাত্রীরা হয় লাশ , রোড ঘাট ভাঙ্গা তাই দূর্ঘটনায় সর্বনাশ । 
বলবার ভাষা নাই হলো বাক রুদ্ধ , সত্য প্রকাশে  ঠিকাদার ক্ষুব্ধ ।
টাকা খেয়ে ঠিকাদার হলো তাই ফাঁকিবাজ , রোড ঘাট ভাঙ্গা বলে দূর্ঘটনা ঘটে আজ ।
জনতার মনে ক্ষোভ  চাই সরকারের দৃষ্টি , চলা চলে রোড ঘাট  হোক সুগমের সৃষ্টি ।
(22/06/2019)
কিছু রাস্তার ছবি


কবিতা৪ঃ- প্রভূ তুমি রক্ষা করো আব্দুর রহিম

Image
প্রভূ তুমি রক্ষা করো  আব্দুর রহিম  ●♡●♡●♡●♡●♡● সূর্যি মামা এলো বুঝি  আকাশ থেকে নেমে , অতিষ্ঠ তাপাঙ্কে যাচ্ছে   শরীর ঘেমে । নেই কোথাও হিমেল হাওয়া  গতর পুড়ে ছাঁই , আষাঢ় মাসে বৃষ্টি বাদল কোথায় গেল ভাই ?
নীল গগনে মেঘের ভেলা  বৃষ্টি নাহি নামে,  জন জীবন অতিষ্ঠ আজ তপ্ত হাওয়ার ঘামে । খোকন সোনার গরম বেশি  প্যান্ট সার্ট খুলে , বালতি ভরা পানিতে সে নাইছে হেলে দুলে ।
মোরগ মুরগি জিমাচ্ছে ঐ হাঁস গুলো সব জলে , গরু ছাগল নয়ন মুদে অতি গরম ফলে । প্রভূ তুমি কোথায় আছো ? ঠান্ডা করো দেহ , তুমি ছাড়া রক্ষা করা নেইতো মোদের কেহ । (25/06/2019)

কবিতা৩ঃ- হায়না থেকে আব্দুর রহিম

Image
হায়না থেকে  আব্দুর রহিম  ♡♤♡♢♧☆♤♡♢♧ পরাধীনতার শিকল ভেঙ্গে  এনেছি স্বাধীনতা , তাইবলে কি ক্ষুন্ন হবে দিন দিন মানবতা ? দিন দুপুরে খুন খারাবী পথে ঘাটে লাশ , লুপ্ত হচ্ছে স্বাধীনতা  মানবতা বিনাশ ।
এই কি মোদের স্বাধীনতা  বঙ্গবন্ধুর চাওয়া , যখন তখন অস্ত্র বাজি লুটে পুটে খাওয়া ? কাউকে আমি দোষ দেবোনা  বঙ্গবন্ধু তুমি , তোমার কথার মান না রেখে   লুটছে বঙ্গভূমি ।
দেশটা পেলো মগের মুলুক  অস্ত্র হাতে তাই , যখন যাহা চাচ্ছে মনে করতে দ্বিধা নাই । প্রশাসন ঘুমিয়ে থাকে  না দেখারি ভান , দিন দিন তাই মানবতা  হচ্ছে অবসান ।
হায়রে আমার স্বাধীনতা  জিম্মি জনগণ , বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় এ কোন নিদর্শন ? বলার আমার নেইতো জায়গা  প্রভূ তোমায় বলি , হিংসা বিদ্বেষ পায়ে দলিয়ে  ভাল হয়ে চলি ।
সেই শক্তি দেওগো মোদের  দেখাও আলোর পথ , হায়না থেকে দেশকে বাঁচাও দেওগো সুখের রথ । 29/06/2019
(ছবি ফেইজ বুক থেকে ) 

কবিতা২ঃ- স্মৃতির পটে জল্লার হাট আব্দুর রহিম

Image
স্মৃতির পটে জল্লার হাট আব্দুর রহিম  ♡♡♡♡♡♡♡♡♡ বাপ দাদারা বাজার করেছে  আমি ও করেছি বটে , কালের গর্ভে বিলীন হয়েছে  স্মৃতি রয়েছে পটে । নেই সেখানে দোকান পাট  নেই দোকানের সারি , বিলীন হয়ে সেখানে উঠেছে  কিষানের ঘর বাড়ি ।
কিষাণ করে মাঠে ঘাটে কাজ কিষানের বউ ঘরে , সুখে দুঃখে বসত করে  সারাটি বছর ধরে । হাটের মাঝে বুড়ো বটগাছ কালের সাক্ষী হয়ে , শুধালো আমারে কতো ব্যথা তার গতর গিয়েছে ক্ষয়ে ।
শাপলা শালুক ফোটে না আর স্বচ্ছ দিঘীর জল , বুনো হাঁসেরা উড়ে এসে তাই করে কতো কোলাহল । টেংরা পুঁটি পাবদা বোয়াল  শোল গজালের পোনা , আগের মতো নেই দিঘীতে করে না আনাগোনা ।
দিঘীর পাশে তাল ভিটাতে নেইতো তালের সারি , আদম কাকু তালগাছ কেটে  ভরতো রশের হাড়ি । নেই তালগাছ বুনোবন আর শিয়ালের হুয়াক্কা ডাক , মেহগনি চাম্বল লাগিয়ে সেথায়  বানিয়েছে নুতন বাগ ।
ঝিড়ি ঝিড়ি বয় দখিনা  হাওয়া  নানান পাখির ডাকে , নয়ন জুড়িয়া নিদ্রা আসে  কিযে তার অনুরাগে । পাশে উঠেছে জামে মসজিদ  ফজর নামাজ শেষে , সোনা মনিরা কোরআন পড়ে  দেখেছি সেথায় এসে ।
কিযে ভালোলাগে সে সুর আমার  কারবা কাছে কই , কালের গর্ভে হাড়িয়ে গেলেও  স্মৃতি নিয়ে বেঁচে রই ।
01/07/2019
জল্লার হাট যে এস্থান নিয়ে কবিতা লেখা হয়েছ…

কবিতাঃ- গাঁয়ের গাড়ি আব্দুর রহিম

Image
গাঁয়ের গাড়ি  আব্দুর রহিম  ♡♡♡♡♡♡♡♡♡ গাঁয়ের গাড়ি যাচ্ছি বাড়ি  পা ঝুলিয়ে ভাই , এমন মজা কোথায় পাবে বলো আমায় তাই ? নয়ন মেলে দেখছি আমি  সবুজ শ্যামল গাঁও , ইশারাতে বলছে আমায় কোথায় তুমি যাও ?
সৌদি মার্কেট দীঘির পারে কলা ভরা গাছে , কলা খেয়ে কাঠ বিড়ালী লেজ উচিয়ে নাচে । দিঘির জলে জল কেলিতে  মগ্ন কিছু হাঁস , মনে বলে ডুবিয়ে জলে  উঠি ওদের পাশ ।
একটু দূরে হিজল শাখে দোয়েল পাখির শিষ , বুল বুলিদ্বয় কানে কানে করছে ফিঁস ফিঁস । নাইবা শুনলাম ওদের কথা  বাড়ির পানে চলি , চলার পথে যাহাই আসে  তাহাই কিছু বলি । গাড়ি চালক ছোট্ট খোকা মায়াবী এক মুখ , জীবন যুদ্ধে নয় পরাজয়  সাবার করতে দুঃখ , তবু ও আমার দুঃখ লাগে  এই বয়সেরই ছেলে , ফুটতো মনে হাসির রেখা বই খাতা পেলে ।
গাঁয়ের হাওয়া কিযে মজা  লাগে যখন গায় , হিম শীতলে তনুমনে উর্মি খেলে যায় । গাঁয়ের গাড়ি যাচ্ছি বাড়ি  তরুলতা ছায় , কিযে মজা ! গাঁও ছাড়া  পাবে আর কোথায় ? 09/07/2019
কবি আব্দুর রহিম এর ছবি 👎